Category Archives: জাতীয় ও রাজনীতি

যে ছবিটি বাংলাদেশের মাথা উঁচু করে তুলেছে, দেখুন গর্ব হবে দেখে

বিএসএফ কে শাসাচ্ছে কে?

বর্ডার গার্ড না সাধারণ জনতা ? ফেসবুকে যে ছবিটা এখন আলোচনার তুঙ্গে আর

বাংলাদেশের মাথা উঁচু করেছে বিশ্বদরবারে। কথা উঠছে বাংলাদেশ সরকার কেন

বি এস এফ এর অত্যাচারে মুখ খুলছেনা? এর কারন হিসাবে ক্ষমতায় টিকে

থাকার জন্য দিল্লীর অনুকম্পা ছাড়া বিকল্প কিছু নেই বলে মনে করছে অভিজ্ঞ

মহল। সেজন্য শত অত্যাচারেও মুখ খলছে না নিতীনির্ধারনীমহল।

14222371_1294464273900086_169625437161168205_n

এরশাদ ও রওশন; যে ছবি ঘুরছে ফেসবুকে, পড়ে অবাক হবেন

সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়া ফেসবুকে বাংলাদেশের সাবেক রাষ্ট্রপতি হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ ও তার স্ত্রী রওশন এরশাদের বিবাহ জীবনের প্রথমদিকের একটি ছবি ছড়িয়ে পড়েছে। তবে ছবিটির উৎস সম্পর্কে জানা যায় নি। এরশাদ ১৯৩০ সালের ১ ফেব্রুয়ারি কোচবিহার জেলার দিনহাটায় জন্মগ্রহণ করেন। তিনি রংপুরের কারমাইকেল কলেজে শিক্ষাগ্রহণ করেন এবং ১৯৫০ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক ডিগ্রি লাভ করেন। এরপর ১৯৫৬ সালে রওশনের সাথে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। বর্তমানে এরশাদ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিশেষ দূত হিসেবে নিযুক্ত রয়েছেন এবং রওশন সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

22155713700024_10206783105841317_6230394257617286283_n

সাক্ষাতের সুযোগ চেয়ে কেরিকে রওশনের ভিজিটিং কার্ড, অতঃপর………..পড়লে অবাক হবেন

জাতীয় সংসদের বিরোধী দলীয় নেতা বেগম রওশন এরশাদের সঙ্গে আনুষ্ঠানিক কোনো বৈঠক করেননি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জন কেরি। তবে গতকাল বিকেলে ধানমন্ডির এডওয়ার্ড এম কেনেডি সেন্টার ফর পাবলিক সার্ভিস এন্ড আর্টস (ইএমকে সেন্টার) মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত নাগরিক সমাজের প্রতিনিধি ও তরুণদের উদ্দেশে কেরির বক্তব্য অনুষ্ঠানে অন্যদের সঙ্গে রওশনও আমন্ত্রিত ছিলেন। কেরি সেই অনুষ্ঠানে যাওয়ার পর সেখানে উপস্থিত ঢাকায় নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত মার্শিয়া স্টিফেন্স ব্লুম বার্নিকাটের মাধ্যমে রওশন তাকে (কেরিকে) নিজের একটি ভিজিটিং কার্ড পাঠিয়ে কথা বলার সুযোগ চান। কেরির বক্তব্য শেষে সেই সুযোগ করে দেন বার্নিকাট। বক্তব্যের পরে কেরি হাঁটতে-হাঁটতে দু’তিন মিনিট রওশনের সঙ্গে কথা বলেন।

U.S. Secretary of State Kerry speaks about the Ukraine crisis after his meetings with other foreign ministers in Paris

 

তামিম জীবিত ধরা দিত না: আইজিপি

ঢাকা: পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) একেএম শহীদুল হক বলেছেন, নারায়ণগঞ্জে গত শনিবার আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযানে নিহত ‘মোস্ট ওয়ান্টেড’ জঙ্গি নেতা তামিম চৌধুরী জীবিত ধরা দিত না। সে ছিল সুইসাইডার (আত্মহত্যাকারী)। তাকে অনেক সময় দিয়েছে পুলিশ। কিন্তু সে-ই প্রথম পুলিশের ওপর বোমা, গুলি নিক্ষেপ করেছে। আইজিপি পুলিশ কর্মকর্তাদের বলেছেন, তাকে জীবিত ধরার চেষ্টা

image_164229_1472560637

জামায়াতের ‘মানি ম্যান’ মীর কাসেমের ফাঁসির রায়

ফাঁসির রায়ের পুনর্বিবেচনা চেয়ে মানবতাবিরোধী অপরাধে মৃত্যুদ-প্রাপ্ত জামায়াতের কর্মপরিষদ সদস্য মীর কাসেম আলীর রিভিউ আবেদনের রায়ের জন্য কার্যতালিকায় এসেছে। সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের কার্যতালিকায় রায়টি ১ নাম্বারে রয়েছে। সোমবার বিকালে এ কার্যতালিকা প্রকাশিত হয়।
প্রধান বিচারপতি এস কে সিনহার নেতৃত্বে পাঁচ বিচারপতির আপিল বেঞ্চ রায় ঘোষণা করবে। অন্য বিচারপতিরা হলেন- বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন, বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী, বিচারপতি মির্জা হোসেইন হায়দার ও মোহাম্মদ বজলুর রহমান।
গত বুধবার (২৪ আগস্ট) ও রোববার (২৮ আগস্ট) রিভিউ আবেদনের শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। রিভিউ আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন মীর কাসেম আলীর প্রধান আইনজীবী খন্দকার মাহবুব হোসেন। রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম।
এর মধ্যদিয়েই শেষ হয় মীর কাসেম আলীর মামলার চূড়ান্ত বিচারিক প্রক্রিয়া।
এ রিভিউ আবেদন খারিজ হলে সরকারের সিদ্ধান্তে কারা কর্তৃপক্ষের তত্ত্বাবধানে শুরু হবে দেশের এই শীর্ষ যুদ্ধাপরাধীর ফাঁসির রায় কার্যকরের চূড়ান্ত প্রক্রিয়া। অবশ্য শেষ আইনি সুযোগ হিসেবে মীর কাসেম আলী তার অপরাধ স্বীকার করে ও ক্ষমা চেয়ে রাষ্ট্রপতির কাছে প্রাণভিক্ষার আবেদন জানাতে পারবেন। সেটি না করা হলে বা প্রাণভিক্ষার আবেদন নাকচ হলে তাকে ফাঁসির দড়িতে ঝোলানোর ক্ষেত্রে আর কোনো বাধা থাকবে না।
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর দেয়া মৃত্যুদ- বহাল রেখে গত ৮ মার্চ মীর কাসেম আলীর মানবতাবিরোধী অপরাধ মামলার সংক্ষিপ্ত আকারে চূড়ান্ত রায় দেয় সর্বোচ্চ আদালত। রায়ে শহীদ কিশোর মুক্তিযোদ্ধা জসিম উদ্দিনসহ ছয়জনকে হত্যা-গণহত্যার দায়ে ফাঁসির দ-াদেশ বহাল রাখা হয়েছে চট্টগ্রাম অঞ্চলে মানবতাবিরোধী অপরাধের মূল হোতা মীর কাসেম আলীর।
গত ৬ জুন ২৪৪ পৃষ্ঠার পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ করে আপিল বিভাগ।
রায়টি রাতেই বিচারিক আদালতে গেলে মৃত্যু পরোয়ানা জারি করেন বিচারিক আদালত ট্রাইব্যুনাল। এর পরপরই মৃত্যু পরোয়ানাসহ পূর্ণাঙ্গ রায় ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারসহ স্বরাষ্ট্র ও আইন মন্ত্রণালয়, ঢাকার ডিস্ট্রিক্ট ম্যাজিস্ট্রেট (জেলা প্রশাসক) কার্যালয়সহ সংশ্লিষ্টদের কাছে পাঠিয়ে দেয়া হয়।
পরদিন ৭ জুন সকালে কাশিমপুর কারাগার পার্ট-২ এর কনডেম সেলে থাকা মীর কাসেম আলীকে মৃত্যু পরোয়ানা ও পূর্ণাঙ্গ রায় পড়ে শোনানো হয়।
এরপর গত ১৯ জুন ৬৮ পৃষ্ঠার রিভিউ আবেদন করেন মীর কাসেম আলী। এতে ফাঁসির রায় বাতিল করে খালাস ও অভিযোগ থেকে অব্যাহতির আরজি জানিয়েছেন মুক্তিযুদ্ধে আলবদর বাহিনীর তৃতীয় এই শীর্ষনেতা।
রিভিউ আবেদনে সর্বোচ্চ সাজার বিরুদ্ধে মোট ১৪টি যুক্তি দেখানো হয়েছে।
এরপর শুনানির দিন ২৫ জুলাই ধার্য হলেও আসামিপক্ষের সময়ের আবেদনের প্রেক্ষিতে একমাস পিছিয়ে ২৪ আগস্ট পুনর্নরর্্িধারণ করে সর্বোচ্চ আদালত।
আপিল মামলার রায়ে মীর কাসেম আলীর বিরুদ্ধে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে শহীদ কিশোর মুক্তিযোদ্ধা জসিম উদ্দিনসহ ছয়জনকে হত্যা-গণহত্যার দায় (১১ নাম্বার অভিযোগ) প্রমাণিত হওয়ায় তাকে সর্বোচ্চ দ-াদেশ দেয়া হয়েছে।
১১ নাম্বার ছাড়াও ১২ নাম্বার অভিযোগে রঞ্জিত দাস লাতু ও টুন্টু সেন রাজুকে হত্যার দায়েও মীর কাসেমের মৃত্যুদ-াদেশ দিয়েছিল ট্রাইব্যুনাল। তবে চূড়ান্ত রায়ে প্রমাণিত না হওয়ায় এ অভিযোগ থেকে তাকে খালাস দিয়েছে আপিল বিভাগ।
ট্রাইব্যুনালে প্রমাণিত মোট ১০টি অভিযোগের মধ্যে আরো ৬টি অভিযোগে মীর কাসেমের সাজা বহাল এবং আরো ২টি থেকে অব্যাহতি ও খালাস দেয়া হয়েছে। সব মিলিয়ে চূড়ান্ত রায়ে ফাঁসির পাশাপাশি ৫৮ বছরের সশ্রম কারাদ-াদেশ পেয়েছেন তিনি।
একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধের শেষ পর্যায়ে জামায়াতের ছাত্র সংগঠন ইসলামী ছাত্রসংঘের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে পাকিস্তানি বাহিনীর সহযোগী কিলিং স্কোয়ার্ড আলবদর বাহিনীর তৃতীয় শীর্ষনেতা ছিলেন জামায়াতের বর্তমান কর্মপরিষদ সদস্য মীর কাসেম আলী। সুপিরিয়র রেসপন্সিবিলিটি (ঊর্ধ্বতন নেতৃত্বের দায়) ও জয়েন্ট ক্রিমিনাল এন্টারপ্রাইজ (যৌথ দায়বদ্ধতা) হিসেবে মুক্তিযুদ্ধে আলবদর বাহিনী ও ছাত্রসংঘের অপরাধের দায়ও তাই বর্তেছে তার ওপরে।
সুত্র – যায়যায়দিন

1457447931

শেখ হাসিনাও নিজেকে আন্তর্জাতিক নেতা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করছেনে

আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য এবং বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ বলেছেন, ‘জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান যেমন আন্তর্জাতিক নেতা ছিলেন তেমনি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাও নিজেকে আন্তর্জাতিক নেতা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছেন।
তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধুকে হত্যার মাধ্যমে দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বকে ধ্বংসের ষড়যন্ত্র করা হয়েছিল। কিন্তু প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জন্য সে ষড়যন্ত্র সফল হতে পারে নি।’
তোফায়েল আহমেদ শনিবার বিকেলে রাজধানীর শাহবাগের পাবলিক লাইব্রেরির শওকত ওসমান স্মৃতি মিলনায়তনে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪১ তম শাহদাত বার্ষিকী উপলক্ষে বাংলাদেশ বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় সমিতির উদ্যোগে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন।
সমিতির সভাপতি শেখ কবির হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি)-এর চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. আব্দুল মান্নান।
তোফায়েল আহমেদ বলেন, বিএনপি-জামায়াত নির্বাচন বানচালের নামে দেশে নাশকতা করে এবং পেট্রল-বোমা দিয়ে মানুষ পুড়িয়ে সরকার পতনে ব্যর্থ হয়ে জঙ্গিবাদ সৃষ্টির মাধ্যমে বিদেশী হত্যার পথ বেছে নিয়েছে।
রামপাল কয়লা ভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র নিয়ে বিএনপির অবস্থানের কঠোর সমালোচনা করে আওয়ামী লীগের এ নেতা বলেন, আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে দেশ স্বাধীনতা অর্জন করেছে। আর সেই আওয়ামী লীগের সরকার কখনো চাইবে দেশের পরিবেশ নষ্ট হোক।
এ বিষয়ে তিনি বলেন, সরকার সকল কিছু বিবেচনা করে এ বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপনের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে। যারা এ বিষয়টি নিয়ে রাজনীতি করছে তারা অনেকেই নি:শেষ হওয়ার পথে।

1472310958-550x333

রামপাল নিয়ে বিএনপির তথ্য নির্ভুল: খালেদার চ্যালেঞ্জ

রামপালে কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নিয়ে বিএনপি যে তথ্য দিয়েছে তা নির্ভুল, সরকার এই বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ করে তা রাষ্ট্রদ্রোহিতা কাজ করছে বলেও জানিয়েছেন বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া।
শনিবার রাত পৌঁনে দশটায় বিএনপি চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে শুভ জন্মাষ্টমী উপলক্ষে সনাতন ধর্মের বিশিষ্টজনদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি এসব বলেন।
রামপাল বিদ্যুৎ কেন্দ্র নিয়ে সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া বক্তব্যের জেরে বিএনপি খালেদা জিয়া বলেছেন, আমি সুন্দরবন নিয়ে কথা বলায় ওনার (শেখ হাসিনা) গায়ে লেগেছে। ওনার গায়ে জ্বালা ধরে গেছে। উনি বলুক যে তথ্য আমি দিয়েছি সেগুলো ভুল কি না।
খালেদা জিয়া বলেন, সুন্দরবন আমাদের জাতীয় সম্পদ, এটা কোনও দলের না। আমরা বলিনি বিদ্যুৎ কেন্দ্র করা যাবে না। আমরা বলেছি যে সুন্দরবন ধ্বংস করে নয়, বিদ্যুৎকেন্দ্র অন্যত্র করা হোক।
বিএনপি চেয়ারপারসন বলেন, আওয়ামী লীগ সরকার রাষ্ট্রবিরোধী কাজ করছে। এখন ক্ষমতায় আছেন তাই হয়তো কাউকে জবাবদিহি করতে হচ্ছে না। কিন্তু ক্ষমতার বাইরে গেলে মানুষকে এর জবাব দিতেই হবে। আওয়ামী লীগ সরকার বহু রাষ্ট্রবিরোধী কাজ করেছে। রামপাল বিদ্যুৎ কেন্দ্রের মতো এরকম আরও আছে। পরবর্তীতে এগুলো জাতির সামনে তুলে ধরা হবে।
আইনশৃঙ্খলা বাহিনী জঙ্গিদের কেন জীবিত গ্রেপ্তার করছে না, তা নিয়ে জনমনে প্রশ্ন জাগছে বলে জানান খালেদা জিয়া।
সরকারকে উদ্দেশ্য করে খালেদা জিয়া বলেন, রাষ্ট্র কারো পৈত্রিক সম্পত্তি না। আর যদি পৈত্রিক সম্পত্তিও হয় তাহলেও দেশের বিরুদ্ধে গেলে তা বন্ধ করতে হবে।
তিনি বলেন, আওয়ামী লীগের সকল কাজই রাষ্ট্রবিরোধী। আমি তাদের সকল রাষ্ট্রবিরোধী কাজকর্মগুলো জনগণের কাছে খুব শিগগির তুলে ধরবো। আর আমাদের সবাইকে ঐক্যবদ্ধ প্রতিরোধ গড়ে তুলে তাদের (সরকার) সড়ে যেতে বাধ্য করতে হবে।
বিএনপি চেয়ারপারসন বলেন, আওয়ামী লীগ কোন ধর্মই মানে না। সেই কারণে তারা সকল অপকর্ম ও পাপ কাজের সঙ্গে জড়িত।
আওয়ামী লীগ তাদের দুর্নীতি ও অপকর্মগুলো ঢাকতে একের পর এক ইস্যু তৈরি করছে মন্তব্য করে তিনি বলেন, গুলশান হলি আর্টিজানে জঙ্গি হামলার সঠিক তথ্য সরকার জনগণকে জানায়নি। এমনকি এই ঘটনার কোন তদন্তও হয়নি। আর এটা শেষ না হতেই তারা নিয়ে আসলো কল্যাণপুরে জঙ্গি গ্রেফতার। কিন্তু সত্যিকার অর্থে সরকার এখন পর্যন্ত কোন জঙ্গিকে ধরতে পারেনি।
সরকারের কাছে প্রশ্ন রেখে সাবেক এই প্রধানমন্ত্রী বলেন, জঙ্গিদের কেনো জীবিত ধরা হচ্ছে না? আপনারা বলছেন, পুলিশ বাহিনী শক্তিশালী। আমার প্রশ্ন হচ্ছে, আমি জানি পুলিশ শক্তিশালী। তবে কেনো ধরতে পারলেও জঙ্গিদের জীবিত ধরা হচ্ছে না।
তিনি অভিযোগ করেন, সরকার এখন জঙ্গিবাদের সাথে দেশের যুবকদের জড়িত করছে এবং ইংরাজি ইউনিভার্সিটিকে দায়ী করছে। তাই তারা ইউনির্ভাসিটিগুলো বন্ধ করেছে। কিন্তু এগুলো ইউনিভার্সিটিগুলো খুবই ভালো। বিদেশ থেকে অনেক শিক্ষিকরা শিক্ষার্থীদের লেখা- পড়া করান।
বেগম জিয়া বলেন, আমরা ক্ষমতায় থাকার সময় বাংলাভাইসহ বেশ কয়েকজন জঙ্গিকে জীবিত ধরেছি। তাদের কাছ থেকে অনেক তথ্যও পেয়েছি। কিন্তু বর্তমান সরকার একটি জঙ্গিকেও জীবিত ধরেনি।
মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়সহ আরও অনেকে।

146600371260a_551

একজন পাড়া দিয়ে ধরত অন্যজন মারত, এরাও মানুষ!! (পড়ুন ও শেয়ার করুন)

তারা আামাকে ঠিক মতো খেতে দিত না। তাদের উচ্ছিষ্টগুলো আমাকে খেতে দিত। একজন পা দিয়ে আমাকে পাড়া দিয়ে দাঁড়িয়ে থাকত, অন্যজন মারত। সারা শরীরে লাঠি দিয়ে মারত। আমার পাছায় বেশি মারত। শাহাদাতের বৌ কাঠের খুন্তিতে গরম তেল নিয়ে আমার হাঠুতে ছ্যাকা দিত। শাহাদাত বেলন দিয়ে মেরে রক্ত বের করে দিত।
এভাবেই শিশু গৃহকর্মী মাহফুজা আক্তার হ্যাপী আদালতের কাছে তুলে ধরেছে জাতীয় দলের সাবেক ক্রিকেটার শাহাদাত হোসেন ও তার স্ত্রীর নিত্যের নির্মম-নিষ্ঠুরি বিবরণ।
বুধবার ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল ৫-এর বিচারক তানজিনা ইসমাইলের আদালতে সাক্ষ্য দেয় হ্যাপী। ঢাকা মহানগর হাকিম স্নিগ্ধা রানী চক্রবর্তী ২২ ধারায় জবানবন্দি রেকর্ড করার কাগজ উপস্থাপন করেন।
হ্যাপী বলে, শাহাদাত হোসেনের বৌ কাঠের খুন্তিতে গরম তেল নিয়ে আমার হাঠুতে ছ্যাকা দেয়। একদিন রাতে আমি বাচ্চার সুজি রান্না করছিলাম। দেরি হয়েছে বলে শাহাদাত ও তাঁর বৌ আমাকে মারতে শুরু করে। শাহাদাতও বেলন নিয়ে এসে আমাকে মারধর করে। আমার ডান পায়ের হাঁটুর নিচে বেলন লাটির একটি অংশ লেগে গর্ত হয়, রক্ত বের হয়। এতে তাঁরা মারা থামায়। ক্ষততে ন্যাকড়া বেঁধে আমি কাজ করি। ঐ রাতে আমি ভয়ে তাদের কথামত ঘরের সব কাজ করি।
সে আরো বলে, ‘আমি ক্রিকেটার শাহাদাতের বাসায় প্রায় এক বছর যাবৎ কাজ করি। আমাকে দুই হাজার টাকা বেতন দিত। আমি বাসার সব কাজ করতাম। আমার কাজে কোনো ভুল হলেই শাহাদাত আর তার বৌ আমাকে মারত।’
নিষ্ঠুরতার বিবরণ দিয়ে হ্যাপী বলে, ‘একজন পা দিয়ে আমাকে পাড়া দিয়ে দাঁড়িয়ে থাকত, অন্যজন মারত। সারা শরীরেও লাঠি দিয়ে মারত। আমার পাছায় বেশি মারত। আবার মারার জায়গায় বরফ দিয়ে ধরে রাখতো সারা রাত। আমি বরফ সরালে তাঁরা আবার পিটাত। আমার বরফ ধরে রাখতে কষ্ট হতো।’
‘প্রায়ই শাহাদাত হোসেন আমার গলা টিপে ধরত। আমার শ্বাস বন্ধ হওয়ার উপক্রম হলে আমি শ্বাস নিতাম। তখন আমাকে আরো মারত। তার (শাহাদাত) বৌ মাঝে মাঝে আমার গলা টিপে ধরেছে। আমাকে ডাল ঘুটনি দিয়ে মারতে মারতে চার-পাঁচটি ডাল ঘুটনি ভেঙ্গে ফেলেছে। আমাকে ভাতের চামচ দিয়ে মারত। ভাতের চামচ অনেক মেরে ভেঙ্গেছে।’
‘রুটি বানানোর বেলন দিয়ে মারত। আমি ওটা লুকিয়ে রেখেছিলাম বলে ওরা আরো একটি বেলন কিনে আনছে। শাহাদাত হোসেনের বৌ কাঠের খুন্তিতে গরম তেল নিয়ে আমার হাঠুতে ছ্যাকা দেয়।’
‘একদিন রাতে আমি বাচ্চার সুজি রান্না করছিলাম। দেরী হয়েছে বলে শাহাদাত ও তার বৌ আমাকে মারতে শুরু করে। শাহাদাত ও বেলন নিয়ে এসে আমাকে মারধোর করে। আমার ডান পায়ের হাঁটুর নিচে বেলন লাটির একটি অংশ লেগে গর্ত হয়, রক্ত বের হয়। এতে তারা মারা থামায়। ক্ষততে ন্যাকড়া বেঁধে আমি কাজ করি।ঐ রাতে আমি ভয়ে তাদের কথামত ঘরের সব কাজ করি।’
‘শাহাদাত তার বৌকেও মারত। আমার চোখে মুখে ঘুষি দিত। আমার বাঁ চোখ ফুলে প্রায় বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। একদিন শাহাদাতের বৌ আমাকে মুখ চেপে ধরে মারত।’
‘সে একদিন আমার মুখ চেপে ধরতে গিয়ে তার নখ আমার বা গালে লেগে দাগ হয়ে যায়। পরের দিন শাহাদাৎ হোসেন আমার বা গালে চড় মারলে দাগ পড়ে যায়। তার নখ লেগেও বাম গালে দাগ হয়।
‘তারা আামাকে ঠিক মতো খেতে দিত না। তাদের উচ্ছিষ্টগুলো আমাকে খেতে দিত। আমি শেষ ঘটনার কয়েকদিন আগে আসামিদের দেশের বাড়িতে যাই। সেখানে আমি শাহাদাত হোসেনের মায়ের কাছে নালিশ করি। তিনি আমাকে মারতে নিষেধ করেন।’
‘সেই রাতে আসামিরা ঢাকায় আসার পথে গাড়িতে শাহাদাত হোসেনের বৌ আমাকে পানির বোতল দিয়ে মারে।’
‘গাড়িতে আমাকে মারার জন্য তিন চারটা লাঠি ছিল। গাড়িতে আমাকে সে চর ও ঘুষি মারে। এর পরই সুজি রান্নার ঘটনা নিয়ে শাহাদাতের বৌ আমাকে পাড়া দিয়ে ধরে। আমি চিৎকার করি সে জন্য আমার মুখে পাতা দিয়েছিল, মেরেছিল। মারের কারণে আমার বাম হাতের আঙ্গুল ভেঙ্গে গেছে।’
‘প্রায় দুই সপ্তাহ আগে একদিন দুপুরের দিকে বাচ্চার সুজির রং হলুদের কারণ জিজ্ঞাসা করে শাহাদাতের বৌ। আমি ভয়ে মিথ্যা বলি যে সুজিতে আমি হলুদ মিশাইছি। শাহাদাৎ হোসেন তখন প্রেকটিসে ছিল। তার বৌ এটা নিয়ে আমার পেটে ঘুষি মারে। আমাকে মারার জন্য একটি লাঠি কিনে আনতে বলে।’
‘আমি ভয়ে গেট খুলে বাসা থেকে বের হয়ে ৬নং বাজারের সামনে যাই। সেখানে একজন মেয়ে আমাকে কী হয়েছে জিজ্ঞেস করে।আমি তাকে সব ঘটনা খুলে বলি। সে আমাকে সাংবাদিকের কাছে নিয়ে যায়।এর পর আমাকে ডাক্তার দেখানো হয়।এক্স-রেতে দেখা যায়, আমার বাম পা ভেঙ্গে গেছে। তারা আমাকে সবসময় তালা দিয়ে আটকে রাখত। রাতে বাথরুমে ঘুমাতে দিত।’
মহানগর হাকিমের সাক্ষ্যের পর হ্যাপীকে জেরা করেন শাহাদাতের আইনজীবী কাজী নজিবুল্লাহ হিরু। পরে বিচারক আগামী ২৪ আগস্ট এ মামলার সাক্ষ্য গ্রহণের পরবর্তী কার্যক্রমের জন্য দিন ধার্য করেছেন। ওই দিন ভিকটিম ও মামলার বাদীকে সাক্ষ্য দেওয়ার জন্য দিন রাখা হয়েছে।
গত বছরের গত ৬ সেপ্টেম্বর রাজধানীর মিরপুর মডেল থানায় ক্রিকেটার শাহাদাত তাঁর বাসার গৃহকর্মী মাহফুজা আক্তার হ্যাপীকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না মর্মে একটি জিডি করেন। এরপর একই দিন রাত ৮টার দিকে মিরপুরের পল্লবী এলাকা থেকে হ্যাপীকে উদ্ধার করে পুলিশ।
এরপর তাকে মিরপুর থানায় নিয়ে যাওয়া হলে সেখানে হ্যাপী অভিযোগ করে শাহাদাতের বাসায় তার ওপর নির্মম নির্যাতন চালানো হতো।
পরে পুলিশ হ্যাপীকে ঢাকা মেডিকেল কলেজের ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে ভর্তি করে। একই সঙ্গে সাংবাদিক খোন্দকার মোজাম্মেল হক শিশু নির্যাতনের দায়ে শাহাদাতের নামে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে একটি মামলা করেন।
গত বছরের ৫ অক্টোবর ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিমের আদালতে শাহাদাত আত্মসমর্পণ করে জামিনের আবেদন করলে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়।
অন্যদিকে স্ত্রী নিত্যকে গত ৪ অক্টোবর ভোরে দিবাগত গভীর রাত সাড়ে ৩টায় মালিবাগের পাবনা গলিতে তার বাবার বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করে মিরপুর মডেল থানা পুলিশ।
গত বছরের ২৯ ডিসেম্বর মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও মিরপুর মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) শফিকুর রহমান তাদের বিরুদ্ধে ঢাকার সিএমএম আদালতে এ অভিযোগপত্র দাখিল করেন।
গত ২২ ফেব্র“য়ারি এ মামলায় ক্রিকেটার শাহাদাত ও তার স্ত্রীর বিরুদ্ধে এ মামলায় অভিযোগ গঠন করা হয়। এ মামলায় বর্তমানে তারা দুজনই জামিনে রয়েছেন।

সুত্র – অনলাইন বাংলা

child-abused

তারেকের স্ত্রীর প্রশংসায় প্রধানমন্ত্রী কি বললেন!

তারেক রহমানের স্ত্রী জোবায়দা রহমানের প্রশংসা করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আজ সোমবার দুপুরে সচিবালয়ে মন্ত্রী পরিষদ বিভাগের সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভা বৈঠকে অনির্ধারিত আলোচনা কালে তিনি প্রশংসা করেন।
এ সময় প্রধানমন্ত্রী আরো বলেন, জোবায়দা যদি বিএনপির নেতৃত্বে আসে তাহলে ভালো হবে।

 

সুত্র – আমাদের সময়.কম

jobayda-550x406