Category Archives: আন্তর্জাতিক

মজা করতেই নাকি ঘটানো হয়েছে ভয়ঙ্কর ঘটনাটি!(ভিডিও), দেখে অবাক হবেন

ভয়ঙ্কর ফুটেজ! ২৭ ফিট উঁচু রেলবোর্ড। সেখান থেকে ছুঁড়ে ফেলা হলো ৪ বছরের এক শিশুকে। কেন কী কারণে ওই শিশুটিকে ওইভাবে ছুঁড়ে ফেলা হয়? তা অবশ্য পরিষ্কার করে জানা যায়নি। তবে প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে, নিছকই মজার স্বার্থে এমনটা করা হয়েছে।

ঘটনাটি ঘটেছে ওয়াশিংটনের মন্টেসানোতে ওয়াইনুচি নদীতে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, ভয়ে শিশুটি চিৎকার করছিল, কাঁদছিল। কিন্তু সেদিকে কান না দিয়েই তাকে নদীতে ছুঁড়ে ফেলে অভিযুক্ত ব্যক্তি। পাশেই দাঁড়ানো ছিল শিশুটির মা।

অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করেছে স্থানীয় প্রশাসন। গুরুতর চোট পেয়েছে শিশুটি। তবে প্রাণে বেঁচে গেছে। ফুটেজটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার হতেই তা ভাইরাল হয়ে ছড়িয়ে পড়ে।

পাঠকদের জন্য সেই ভয়ঙ্কর ভিডিওটি দেওয়া হলো-

dghjdghj

কুমারীদের নিয়ে বিপাকে সৌদি সরকার! শুনে অবাক না হয়ে পারবেন না।

কুমারী মেয়েদের নিয়ে বিপাকে পড়েছে সৌদি সরকার। দেশটিতে দিন দিন বেড়েই চলেছে কুমারী মেয়ের সংখ্যা। স্ত্রীর মোহরানার টাকা যোগাড় করতে না পারায় সৌদি যুবকরা মেয়েদের বিয়ে করতে পারছেন না। বাধ্য হয়ে বিদেশি নাগরিক বিয়ে করছেন তারা। আর এদিকে কুমারী মেয়ের সংখ্যা বাড়ছে দেশটিতে। মূলত রাষ্ট্র নির্ধারিত মোহরানার টাকা জোগাড় না করতে পারায় এ অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে।

বিয়ের সাধ পূরণে সৌদি যুবকরা বিদেশি মেয়েদের চুক্তিতে বিয়ে করছেন। কিন্তু, এসব চুক্তি বিয়ের ৩০ শতাংশই টিকছে না। এতে দেশটিতে ক্রমাগত বাড়ছে একক নারীর সংখ্যা। যা নিয়ে রীতিমত দুশ্চিন্তায় পড়েছে সৌদি সরকার। সম্প্রতি বিবাহ এবং পরিবার কল্যাণ বিষয়ক একটি সংস্থা সৌদি আরবের বুরাইদাতে মহিলা ও পুরুষ হোস্টেলের মধ্যে একটি গবেষণা করে এই চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ করেছে।

সংস্থাটির এক কর্মকর্তা সংবাদমাধ্যমকে জানায়, পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের ২০১০ সালের তথ্য অনুযায়ী দেশে অবিবাহিত নারীর সংখ্যা ১৫ লাখ ২৯ হাজার চারশো ১৮ জনে পৌঁছেছে। চুক্তি বিয়েতে আবদ্ধ ৬০ হাজার পরিবারের মধ্যে এই পরিসংখ্যান পরিচালনা করা হয়। যেখানে প্রায় ১৮ হাজার বিবাহ বিচ্ছেদের ঘটনা ঘটেছে। এই হিসেবে বিবাহ বিচ্ছেদের হার দাঁড়ায় ৩০ শতাংশে।

এর কারণ হিসেবে ওই কর্মকর্তা বলেন, ‘সৌদি আরবে অধিক সংখ্যক অবিবাহিত নারী থাকা সত্বেও ছেলেরা বিদেশি নারীদের বিয়ে করছে। কারণ, তারা সরকার নির্ধারিত মোটা অংকের মোহরানা দিতে পারছে না।’

তিনি আরও জানান, সৌদি আরবে বর্তমানে কুমারী সমস্যা মারাত্মক আকার ধারণ করেছে। সৌদি শেখরা এই অবস্থা থেকে বেরিয়ে আসতে নানা চেষ্টা করছেন।  উত্তরণে কেউ কেউ একাধিক নারী বিয়ে করার পরামর্শও দিচ্ছেন। আবার কেউ মোহরানার জন্য ঋণ ব্যবস্থা চালু করার পরামর্শ দিচ্ছেন।

Saudi-girl_220160830032200

 

 

যে ভিডিওটি দেখেছে কোটি মানুষ, চোখের পানি ফেলেছে সবাই

ইউরোপে পশুপাখি কে যে মানবতা করা হয়,
আমাদের দেশে মানুষকে ও তা করা হয়না।
ও বিবেকবান মানুষ দেখে যাও,
মানবতা কাহাকে বলে ও কত প্রকার?

 

 

 

as12323

যে ছবিটি বাংলাদেশের মাথা উঁচু করে তুলেছে, দেখুন গর্ব হবে দেখে

বিএসএফ কে শাসাচ্ছে কে?

বর্ডার গার্ড না সাধারণ জনতা ? ফেসবুকে যে ছবিটা এখন আলোচনার তুঙ্গে আর

বাংলাদেশের মাথা উঁচু করেছে বিশ্বদরবারে। কথা উঠছে বাংলাদেশ সরকার কেন

বি এস এফ এর অত্যাচারে মুখ খুলছেনা? এর কারন হিসাবে ক্ষমতায় টিকে

থাকার জন্য দিল্লীর অনুকম্পা ছাড়া বিকল্প কিছু নেই বলে মনে করছে অভিজ্ঞ

মহল। সেজন্য শত অত্যাচারেও মুখ খলছে না নিতীনির্ধারনীমহল।

14222371_1294464273900086_169625437161168205_n

একাই ৬ জনকে খুন করেন এই নারী, অবাক হবেন পড়লে

 

ফিলিপাইনের বিতর্কিত প্রেসিডেন্ট রডরিগো দোতার্তে দায়িত্ব নেয়ার পরপরই মাদকের বিরুদ্ধে যে যুদ্ধ ঘোষণা করেছেন, তাতে এক সপ্তাহেই অন্তত ২ হাজার ব্যক্তিকে খুন করা হয়েছে।

যারা এই খুনগুলো করছেন, তাদেরই একজন মারিয়া। যদিও এটি তার আসল নাম নয়। মাদকবিরোধী লড়াইয়ের অংশ হিসেবে সরকারের পক্ষ হয়ে টাকার বিনিময়ে তিনি অন্তত ছয়টি খুন করেছেন।

কিন্তু এই নারীকে দেখে কোনো খুনি বলে মনে হবে না। বরং একজন স্বন্ত্রস্ত, ভীত নারী বলে মনে হবে, যার কোলে আবার একটি শিশুও রয়েছে।drug_dellers

মারিয়া বলছেন, কাছাকাছি একটি প্রদেশে দু’বছর আগে তিনি প্রথম খুন করেন। প্রথমবার বলে তার সত্যিই খুব ভয় লেগেছিল।

যে ‘হিট টিমে’ মারিয়া কাজ করেন, সেখানে মোট তিনজন নারী রয়েছেন। তাদেরকে দলে বিশেষভাবে গুরুত্ব দেয়া হয়, কারণ একজন পুরুষের তুলনায় কোনো সন্দেহ তৈরি না করেই তারা শিকারের কাছাকাছি পৌঁছে যেতে পারেন।

মারিয়ার কাছে জানতে চাওয়া হয়েছিল, কে এসব হত্যার নির্দেশ দিয়েছেন? ‘আমার বস, পুলিশের একজন কর্মকর্তা’, মারিয়ার জবাব।

পুলিশের নির্দেশে একজন ঘাতক হিসেবে কাজ করতেন মারিয়ার স্বামী। কিন্তু একদিন সেই পুলিশ কর্মকর্তারা মনে করলেন, তাদের একজন নারী খুনি দরকার।

মারিয়া বলছেন, ‘একদিন তাদের একজন মহিলার দরকার হল। আমার স্বামীই সেই কাজের জন্য আমাকে ফাঁদে ফেললেন। কাজে নেমে পড়ার পর যখন আমি সেই ব্যক্তিকে দেখতে পেলাম, যাকে আমার খুন করার কথা, আমি তার কাছাকাছি গিয়ে গুলি করলাম।’

ম্যানিলার কাছাকাছি একটি এলাকা থেকে এসেছেন মারিয়া এবং তার স্বামী। টাকার বিনিময়ে খুনের কাজ শুরুর আগে তাদের নিয়মিত কোনো আয়-রোজগারও ছিল না। এখন তারা প্রতি হত্যার জন্য ৪৩০ ডলার করে পান, যা দলের আরও তিন-চারজনের সঙ্গে ভাগাভাগি করতে হয়।

নিম্ন আয়ের ফিলিপিনোদের জন্য এটি আর্শীবাদ। কিন্তু মারিয়ার জন্য যেন সেটি একটি ফাঁদ। কারণ তার এ থেকে বেরিয়ে আসার উপায় নেই।

চুক্তির বিনিময়ে হত্যাকাণ্ড ফিলিপিন্সে নতুন কিছু নয়, কিন্তু এখনকার মতো এত ব্যস্ত সময় তারা আর কখনোই কাটায়নি। কারণ মাদক ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে প্রকাশ্যেই যুদ্ধ ঘোষণা করেছেন প্রেসিডেন্ট দোতার্তে।

নির্বাচনের আগেই তিনি ঘোষণা দিয়েছিলেন যে, নির্বাচিত হলে প্রথম ছয় মাসেই তিনি এক লাখ অপরাধীকে হত্যা করবেন।

এ বিষয়টি নিয়ে সমালোচনা করছে মানবাধিকার সংগঠনগুলো। তবে ফিলিপাইনের স্থানীয় মানুষের কাছে তার এই অভিযান বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে।

এই অভিযানে যারা মৃত্যুভয়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন, তাদের একজন রজার, যদিও তারও এটি আসল নাম নয়।

তরুণ বয়সে শাবু নামের অপরাধী চক্রের সঙ্গে জড়িয়ে পড়েন রজার। এরপর নিজেও মাদকাসক্ত হয়ে পড়েন, পাশাপাশি মাদক বিক্রিও শুরু করেন।

অনেক দুর্নীতিগ্রস্ত পুলিশ কর্মকর্তাদের সঙ্গেও তার সখ্যতা ছিল। কিন্তু এখন তাকে প্রতিদিন এক স্থান থেকে আরেক স্থানে পালিয়ে বেড়াতে হচ্ছে।

রজার বলেন, ‘প্রতিদিন, প্রতি ঘণ্টায়, এক মুহূর্তের জন্যও আমি ভয় থেকে দূরে থাকতে পারি না। আপনার সামনেই যে ব্যক্তি দাঁড়িয়ে আছে, সেই গিয়ে আপনার সম্পর্কে পুলিশকে তথ্য দেবে না, বা আপনাকে খুন করবে না, আপনি জানেন না। রাতেও ঘুমানো যায় না। সামান্য একটি শব্দেই আমি জেগে উঠি। সবচেয়ে কষ্টকর ব্যাপার হল, কাউকেই আমি বিশ্বাস করতে পারি না।’

স্ত্রী এবং বাচ্চাদের গ্রামের বাড়িতে পাঠিয়ে দিয়েছেন তিনি। নিজের অতীত কর্মকাণ্ডের জন্য অনুতপ্ত রজার। কিন্তু সেই ভুল শোধরানোর আর কোনো রাস্তা খোলা আছে কিনা, তা তার জানা নেই।

কিন্তু যারা তাকে হত্যার জন্য খুঁজছে, তাদেরকেও অপরাধবোধ তাড়া করছে। মারিয়া যেমন বলছেন, ‘আমি নিজেই অপরাধবোধে ভুগি।’

এই কাজে তার সন্তানরা আসুক বা তাদের কাজ সম্পর্কে জানুক, সেটা তিনি চান না। তবে ইচ্ছা করলেই ভাড়াটে খুনির পেশা থেকে বেরিয়ে আসাও তার পক্ষে সম্ভব নয়।

কারণ তার বস, পুলিশ কর্মকর্তা তাদের এর মধ্যেই হুমকি দিয়েছেন, কেউ যদি এই গুপ্তঘাতকের দল থেকে বেরিয়ে যাবার চেষ্টা করে, তাহলে তাকেও হত্যা করা হবে। তাই মারিয়ারও মনে হয়, সেও যেন ফাঁদে আটকে রয়েছেন।

ইয়েমেনে সেনা প্রশিক্ষণ শিবিরে আত্মঘাতী হামলা

ইয়েমেনের দ্বিতীয় বৃহত্তম নগরী এডেনে একটি সেনা প্রশিক্ষণ শিবিরে আত্মঘাতী বোমা হামলার ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় ১১ জন নিহত হয়েছে।

সোমবার নিরাপত্তা কর্মকর্তা একথা জানান।

ওই কর্মকর্তা বলেন, হামলাকারী তার গাড়ি নিয়ে এডেনের উত্তরাঞ্চলের ওই সেনা শিবিরে নতুন নিয়োগপ্রাপ্তদের এক জমায়েতে দ্রুতগতিতে ঢুকে পড়ে এবং বিস্ফোরণ ঘটায়। এতে নিহতের সংখ্যা আরো বাড়তে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

জানা যায়, সেখান থেকে এখনও আহতদের হাসপাতালে নেয়ার কার্যক্রম চলছে। সেই সঙ্গে নিহতদের লাশও এখনও সেখান থেকে স্থানান্তর করা সম্পন্ন হয়নি।

যুদ্ধবিধ্বস্ত ইয়েমেনে ২০১৫ সালের মে মাসের পর থেকে এখন পর্যন্ত ৬ হাজার ৬০০ জনের বেশি সাধারণ মানুষ মারা গেছেন সৌদি জোট সহ বিভিন্ন বাহিনীর হামলায়। মানবিক সাহায্য পেতে দেশটির অধিকাংশ শহরের প্রায় ৮০ ভাগ লোক বাসস্থান ত্যাগ করেছে।

image_164146_0

যুক্তরাষ্ট্রে আজ নগ্নবক্ষা হচ্ছেন নারীরা

নারী অধিকার ও সমতার দাবিতে যুক্তরাষ্ট্র জুড়ে নারীরা নগ্নবক্ষা হচ্ছেন। শরীরের উর্ধ্বাঙ্গে কিছুই না পরে সড়কে র্যালি করবেন, কিংবা সমুদ্র তীরে ঘুরে বেড়াবেন তারা।

আর এভাবেই গোটপলেস ডে পালন করার আনুষ্ঠানিক ঘোষণা হয়েছে।

প্রতিবছর নারী সমতা দিবসের কাছাকাছি রোববারটিতে এই গোটপলেস ডে পালন করা হয়। যুক্তরাষ্ট্রে নারীদের ভোটাধিকার আদায়ের এই দিনটি ছিলো গত ২৬ আগস্ট। সে হিসেবে নিকটবর্তী রোববার হিসেবে ২৮ আগস্টই হচ্ছে গো টপলেস ডে। যা এরই মধ্যে শুরু হয়ে গেছে।

পরিকল্পনামাফিক যেসব ইভেন্ট রয়েছে তার মধ্যে অন্যতম হচ্ছে নিউ হ্যাম্পশায়ার থেকে ক্যালিফোর্নিয়া পর্যন্ত সমুদ্র তীরে নগ্নবক্ষা হয়ে ঘোরাঘুরি। আর নিউইয়র্ক সিটি, লস এঞ্জেলসে বিশেষ র্যালি। যাতে নারীবক্ষের আদলে বেলুন ফুলিয়ে তা হাতে নিয়ে হাঁটবেন তারা।  এছাড়াও বড় বড় নগরীতে দিনটি পালনের উদ্যোগ রয়েছে।

যুক্তি হচ্ছে পুরুষের মতো নারীরাও প্রকাশ্যে নগ্নবক্ষা হতে পারবেন।

যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন নগরী ও রাজ্য এরই মধ্যে নারীর এই অধিকার কতটুকু আইনসিদ্ধ তা যাচাই করে দেখতে শুরু করেছে।

77

মদ খেয়ে ড্রাইভিং, মন্ত্রীর পদত্যাগ, পড়লে অবাক হবেন

মদ্যপ অবস্থায় গাড়ি চালিয়ে ধরা পড়ার পর পদত্যাগ করেছেন সুইডেনের সর্বকনিষ্ঠ মন্ত্রী আইদা হাদজিয়ালিক। খবর বিবিসির।

২৯ বছর বয়সী হাদজিয়ালিক সুইডেনের ইতিহাসে সর্বকনিষ্ঠ এবং প্রথম মুসলিম মন্ত্রী।তিনি মধ্য বামপন্থী সরকারের উচ্চ শিক্ষাবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে ছিলেন।পদত্যাগের পর হাদজিয়ালিক এ ঘটনাকে তার জীবনের ‘সবচেয়ে বড় ভুল’ বলে উল্লেখ করেছেন।হাদজিয়ালিক পাঁচ বছর বয়সে বসনিয়া-হার্জেগোভিনা থেকে সুইডেনে এসেছিলেন।

ডেনমার্ক ও সুইডেনের সংযোগ সেতুতে পৌঁছার আগে তিনি দুই গ্লাস মদ পান করেন। সেতু পার হওয়ার সময় পুলিশ তাকে থামায়।পুলিশ হাদজিয়ালিকের রক্ত পরীক্ষা করে প্রতি লিটারে ০.২ গ্রাম মদের উপস্থিতি পেয়েছে। এ কারণে তার ছয় মাসের জেল হতে পারে।

হাদজিয়ালিক তার ভুল স্বীকার করে বলেছেন, কোপেনহেগেনে রাত্রি যাপনকালে তিনি এক গ্লাস স্পার্কলিং ওয়াইন এবং পরে আরও এক গ্লাস রেড ওয়াইন পান করেন।

এর চার ঘণ্টা পর তিনি সুইডেনের দক্ষিণের শহর মালামোতে যাওয়ার জন্য রওনা দেন।হাদজিয়ালিক বলেন, তিনি ভেবেছিলেন যে তার শরীর অ্যালকোহল মুক্ত হতে যথেষ্ট সময় পাবেন।

পদত্যাগের সিদ্ধান্তের বিষয়ে তিনি সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমি পদত্যাগ করাই সমীচীন মনে করেছি। কারণ, আমি বিশ্বাস করি যে, আমি যেটা করেছি তা গুরুতর অপরাধ।’

সুইডেনে নির্দিষ্ট মাত্রায় মদ পান করে গাড়ি চালানোর অনুমোদন রয়েছে।

uhij

‘ডিয়ার মি. টেরোরিস্ট’ (ভিডিও দেখুন)

ফ্রান্সের নিস শহরের জঙ্গি আক্রমণের ঘটনায় দেশটিতে মুসলিম-ভীতি বাড়ছে। এমন প্রেক্ষাপটে নিস শহরেরই এক মুসলিম ইউটিউবার প্রকাশ করলেন এক ভিডিও। সাধারণত রূপচর্চা নিয়ে পোস্ট দেন তিনি। আছে হাজার হাজার সাবস্ক্রাইবার। কিন্তু তার সবচেয়ে ভাইরাল ও জনপ্রিয় হওয়া ভিডিওটি সৌন্দর্যচর্চা ও ফ্যাশন বিষয়ক ছিল না। সন্ত্রাসীদের উদ্দেশ্যে তার ভিডিও বার্তা ইউটিউবে প্রায় ১০ লাখ বার দেখা হয়েছে। ফরাসি ভাষায় নির্মিত ভিডিওটির শিরোনাম ছিল, ‘ডিয়ার মি. টেরোরিস্ট’। ২০ বছর বয়সী ইউটিউবার মারুয়া বেক্কোউচে জন্মেছেন আলজেরিয়ায়।

কিন্তু মাত্র তিন বছর বয়সে নিসে পরিবারসমেত পাড়ি জমান তিনি। তার ইউটিউব চ্যানেলের নাম ‘দ্য ডল বিউটি’। ফ্যাশন ও রূপচর্চা নিয়েই হাজারো ভক্ত জুটিয়েছিলেন তিনি। কিন্তু তার ভাষায় ‘নিজের করা সবচেয়ে গুরুগম্ভীর’ ভিডিওটিই লুফে নেয় লাখো মানুষ। সেখানে তিনি জঙ্গিদের উদ্দেশ্যে বলেছেন, ইসলাম এমন সন্ত্রাস সমর্থন করে না। তিনি জানান, যে ইসলামী মূল্যবোধে তিনি বড় হয়েছেন তার সঙ্গে জঙ্গিদের ধ্যানধারণার কোনো মিল নেই। ভাইরাল হওয়া এ ভিডিওতে তিনি সন্ত্রাসীদের উদ্দেশ্যে বলেন, ‘আপনারা নিজেদের ইসলামের রক্ষক হিসেবে দাবি করেন। আপনারা শহীদ হিসেবে মৃত্যুর দাবি করেন। আপনারা খারাপ লোকদের শিকারি ও হত্যাকারী হিসেবে নিজেদের দাবি করেন। কিন্তু আপনারা এটা ঠিকই জানেন যে, মানুষের জীবনের ওপর আপনাদের কোনো অধিকার নেই।

সব মুসলিমের পক্ষে আমি আপনাদের নিষেধ করছি, আপনাদের নিষ্ঠুর, বর্বর ও অমানবিক আচরণের সঙ্গে আমাদের সুন্দর ধর্ম ইসলামকে মেলাবেন না।’ ইসলাম সম্পর্কে ভুল ধারণা পোষণকারীদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, ‘আপনাদের সবাইকে একটা কথা বলি। এই কথিত ‘শহিদ’দের সঙ্গে মুসলিমদের কোনো সম্পর্ক নেই। এরা মুসলিম নয়। ইসলাম শান্তির কথা বলে, ঘৃণার কথা নয়। এটি সহিষ্ণুতার কথা বলে, ফ্যানাটিসজমের কথা নয়। ইসলাম আনন্দ ও ভাগাভাগির কথা বলে, হত্যার কথা নয়।’

সুত্র – মানবজমিন

24373_i2

আমাকে ৪০ লক্ষ্য বাংলাদেশি আনুসরন করে : ডঃ জাকির নায়েক (ভিডিও বার্তা)

‘ইসলাম জঙ্গীবাদ ও হত্যা সমর্থন করেনা’ জাকির নায়েকের এমন বক্তব্যের পরেও
পিস টিভি বন্ধ করে জাকির নায়েককে গ্রেফতারের দাবি ভারতের মুসলমান নেতাদের।

”গুলশান হামলায় অংশগ্রহনকারী নিহত দুই শীর্ষ জঙ্গী ভারতের ইসলামী নেতা ড. জাকির নায়েককে অনুসরন করতেন” এমন শিরোনামে বাংলাদেশের একটি শীর্ষ ইংরেজি দৈনিকে সংবাদ প্রকাশের পর নড়ে চড়ে বসেছে ভারত। গত কদিন ধরে চলে আসা নানা আলোচনার পর ইসলামিক রিসার্চ ফাউন্ডেশন ও পিস টিভির প্রতিষ্ঠাতা জাকির নায়েককে গ্রেফতারের দাবি তুলেছেন ভারতের উত্তর প্রদেশের মুসলমান নেতারা।

গত ১ জুলাই ঢাকার গুলশানের হলি আর্টিজান বেকারিতে সন্ত্রাসী হামলার সঙ্গে জড়িতদের অন্তত দুইজন জাকির নায়েকের মতাদর্শে প্রভাবিত ছিলেন বলে জানার পর ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার জাকির নায়েকের বক্তব্য খতিয়ে দেখার ঘোষণা দিয়েছে।

এরইমধ্যে মুম্বাইয়ে ইসলামিক রিসার্চ ফাউন্ডেশন কার্যালয়ের বাইরে পুলিশি পাহারা বসানো হয়েছে। ভারতের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাজনাথ সিং শুক্রবার গণমাধ্যমকে বলেন, ‘জাকির নায়েকের বক্তব্য খতিয়ে দেখা হচ্ছে’। খবর এনডিটিভি, টাইমস অব ইন্ডিয়া ও ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের

উত্তর প্রদেশের বেরেলি অঞ্চলের ইমাম মাওলানা শাহাবুদ্দিন রাজভি বৃহস্পতিবার বলেন, ‘গুলশানে জঙ্গি হামলাকারীরা জাকির নায়েকের বক্তব্যে উদ্বুদ্ধ হয়েছিল। তার বক্তব্য সন্ত্রাসীদের উষকে দিচ্ছে, মুসলমানদের উগ্র হতে অনুপ্রেরণা দিচ্ছে।’

মূলতঃ এ জন্যই জাকির নায়েকের গ্রেফতার দাবি করেন তিনি।

সুন্নি হানাফি বারেলভি গোত্রের এ ইমাম ঈদের নামাজে দেওয়া বক্তব্যে জাকির নায়েককে ‘দ্রুত গ্রেফতার’ এবং তার পিস টিভি ‘অবিলম্বে নিষিদ্ধের’ দাবি জানান।

বেরেলি শহরের মওলানা আসজাদ রাজা খানও জাকির নায়েকের বিরুদ্ধে ‘ঘৃণা ছড়ানোর’ অভিযোগ তুলেছেন।

এদিকে বৃহস্পতিবার ভারতের কেন্দ্রীয় সরকারের তথ্যমন্ত্রী এম ভেঙ্কাইয়া নাইডু দিল্লিতে সাংবাদিকদের বলেন, ‘স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জাকির নায়েকের বক্তব্য খতিয়ে দেখবে। সেগুলো পর্যালোচনার পর তার বিরুদ্ধে উপযুক্ত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। গণমাধ্যমে তার বক্তব্য যেভাবে এসেছে তা খুবই আপত্তিকর।’

প্রসঙ্গত, দ্যা ডেইলি স্টারের একটি খবরে ইতিমধ্যেই অভিযোগ উঠেছে যে ঢাকায় গুলশানের হামলাকারীদের মধ্যে অন্তত একজন, রোহান ইমতিয়াজ (আওয়ামী লীগ নেতার ছেলে ) ফেসবুকে জাকির নাইককে ‘ফলো’ করত এবং তার কিছু পোস্ট সে নিজের ওয়ালে শেয়ারও করেছিল।

এই পটভূমিতে গুলশানের হামলাকারীরা তার বক্তৃতায় অনুপ্রাণিত হয়েছিল কি না সেটা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে বলে ভারতের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্রে এদিন নিশ্চিত করা হয়েছে।

গত ৪ জুলাই বাংলাদেশের ইংরেজি দৈনিক ও পরবর্তিতে ৫ জুলাই ভারতের বিভিন্ন পত্রিকায় হামলাকারী দুই নিহত জঙ্গীর ড. জাকির নায়েককে অনুসরনের খবর বেরুলে এ প্রসঙ্গে নিজের প্রতিক্রিয়া জানান ড. জাকির নায়েক ।

বর্তমানে উমরাহ করতে সৌদি আরবে রয়েছেন জাকির নায়েক। তার বিরুদ্ধে সর্বশেষ এ অভিযোগ ওঠার পর মক্কা নগরী থেকে ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস পত্রিকাকে দেয়া এক টেলিফোন সাক্ষাৎকারে তিনি ইসলামিক স্টেটকে অনৈসলামিক বা ‘ইসলামবিরোধী’ বলে মন্তব্য করেন।

তিনি বলেন, ‘ইসলামের নাম ব্যবহার করে আমরা ইসলামের নিন্দা করছি… ইরাক সিরিয়ার ইসলামিক স্টেট ইসলামবিরোধী, যারা নিরপরাধ বিদেশিকে হত্যা করছে। ইসলামের দুশমনরা এ নাম (আইএস) দিয়েছে।’

উল্লেখ্য, জাকির নায়েকের বক্তব্যের কারণে তার প্রতিষ্ঠিত ইসলামিক রিসার্চ ফাউন্ডেশন যুক্তরাজ্য ও কানাডায় নিষিদ্ধ হয়। এমনকি মালয়েশিয়াতেও জাকির নায়েকের বক্তব্য প্রচারের অনুমতি নেই।

dr.-jakir-nayek-says