Category Archives: বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি

যৌন খেলনার শুরুর ইতিহাস, কিভাবে এল!

বর্তমান যুগে সেক্স টয় বা যৌন খেলনা, যেমন ভাইব্রেটরের মতো টয়গুলো কেবল একটা উদ্দেশ্যেই ব্যবহৃত হয়, আর তা হলো আনন্দ৷ যদিও ভাইব্রেটরের আবিষ্কার হয়েছিল নারীদের যৌনতার ওপর পুরুষদের নিয়ন্ত্রণের জন্য৷

বিশ্বের প্রথম ডিলডো
কাঁচা কলা হোক বা উটের শুকনো গোবর- প্রাচীনকালে গ্রিস ও মিশরের মানুষ এগুলোর ওপর পিচ্ছিল পর্দার্থের প্রলেপ দিয়ে যৌন খেলনা বানিয়ে নিত৷ এছাড়া আরও বিকল্প ছিল বাঁকানো পাথর, চামড়া বা কাঠের বস্তু৷ বিশ্বের প্রথম ‘ডিলডো’ কিন্তু জার্মানিতেই আবিষ্কার হয়েছিল, তাও আবার ২৮,০০০ বছর আগে৷ ২০ সেন্টিমিটার লম্বা এই পাথরটি কেবল যে ‘সেক্স টয়’ হিসেবে ব্যবহৃত হতো তা-ই নয়, আগুন জ্বালানোর কাজেও ব্যবহৃত হতো৷

খুলে দাও
ডিলডো শব্দটি প্রথম এসেছে ল্যাটিন শব্দ ‘ডিলাটারে’ থেকে, ১৪০০ শতাব্দিতে৷ এর মানে হচ্ছে খুলে দাও৷ আর ইতালিতে দিলেত্তো মানে খোল৷ ইতালীয় রেনেঁসার একশ বছর পর চামড়া ও অলিভ অয়েল দিয়ে যৌন খেলনা তৈরি হতো৷ তবে ইতিহাস বলে শুনতে যতটা আনন্দদায়ক হওয়ার কথা খেলনাটি ততটা ছিল না৷

নারীর আকাঙ্খা?
দীর্ঘদিন ধরে সহবাস মানেই ছিল পুরুষের চরম উত্তেজনাপূর্ণ পর্যায়ে পৌঁছানো৷ পুরুষ শাসিত সেসব সমাজে নারীদের ‘অরগাজম’ বা তাদের তৃপ্তি দেয়াটাকে অবহেলা করা হতো৷ যেসব নারীর যৌন চাহিদা বেশি থাকত, তাদের হিস্টিরিয়া রোগী মনে করত পুরুষরা৷ তাদের জন্য নানা ধরনের চিকিৎসা পদ্ধতি ছিল৷

নারীদের যৌন চাহিদার চিকিৎসা
নারীদের এ ধরনের ‘হিস্টিরিয়া’ বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়েছিল৷ একটা নির্দিষ্ট বয়সে প্রায় সব নারীর মধ্যেই দেখা যাচ্ছিল৷ এর ফলে কখনো কখনো অনেকের জ্বরও হতো৷ এ ধরনের লক্ষণ দেখা দিলে ডাক্তাররা এই টেবিলে যোনী ম্যাসাজের পরামর্শ দিতেন৷ কেননা, সেসময় হস্তমৈথুন ছিল নিষিদ্ধ৷

ডিলডো যখন ভাইব্রেটরে পরিণত হলো
ধনী নারীদের যে কোনো রোগের চিকিৎসা ছিল, কেননা, ডাক্তাররা অনেক অর্থ পেতেন৷ আর তাই তারা কাজে লেগে গেলেন কীভাবে তাদের যৌন হিস্টিরিয়ার চিকিৎসা করা যায়৷ ১৮৮০’র দশকে ভিক্টোরিয়ার আমলে ড. জোসেফ মরটিমার প্রথম ইলেকট্রো ম্যাকানিকেল ভাইব্রেটর আবিষ্কার করেন৷ এই যন্ত্রের ফলে ১০ মিনিটেই চরম উত্তেজনায় পৌঁছে যেতেন নারীরা৷

সুখী গৃহিনীরা
বিংশ শতাব্দিতে বিভিন্ন কোম্পানি ভাইব্রেটর বানানো শুরু করে৷ স্বাস্থ্য সেবা হিসেবে বিজ্ঞাপন ছাপা হতে লাগলো বিভিন্ন ম্যাগাজিনে৷ ডাক্তাররা এতে মোটেও খুশি হননি৷ অনেকের মনে হলো, অরগাজমের জন্য নারীদের বুঝি আর পুরুষ সঙ্গীর প্রয়োজন থাকবে না৷

1st dildo in world

এক লাখ বছর পর মানুষ দেখতে কেমন হবে?

মানব সভ্যতার ঊষালগ্ন থেকে পারিপার্শিকতার সঙ্গে খাপ খাইয়ে চলতে সব প্রাণীর মধ্যেই পরিবর্তন এসেছে। এই পরিবর্তনকে বিবর্তন বলা হয়। বিবর্তনের ধারা এখনও অব্যাহত আছে। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে আমাদের শরীরের অনেক অঙ্গও অপ্রয়জনীয় হয়ে পড়েছে। যেমন অ্যাপেন্ডিকস। এখন আমাদের আর অ্যাপেন্ডিকসের প্রয়োজন পড়ে না।

যদি এই পরিবর্তন অব্যাহত থাকে তাহলে মানুষের দৈহিক পরিবর্তন চলতেই থাকবে। ধারণা করা হচ্ছে আগামী বিশ হাজার বছরের মধ্যে মানুষের মস্তিষ্কে ও করোটির আকার বাড়তেই থাকবে।

আগামী এক লাখ বছরের মধ্যে এই পরিবর্তন আরও দৃষ্টিগোচর হবে। সূর্যের আলোতে অতিরিক্ত আল্ট্রা-ভায়োলেট রশ্মির জন্য ত্বকের রঙে পরিবর্তন আসবে। নাকের আকার বৃদ্ধি পাবে ও চোকের আকারও বেশ বড় হয়ে যেতে পারে ধারণা করা হচ্ছে।

what-humans-will-look-like3-550x239

চাঁদে এলিয়েনের হাতে ধর্ষিতা সুন্দরী মার্কিন বিমান কর্মী! (ভিডিও)

সংবাদ বা টেলিভিশন খুললে প্রায়ই ধর্ষণের কথা শোনা যায়৷ থানাতেও ধর্ষণের অভিযোগ দায়ের করতে আসেন ধর্ষিতা নারী অথবা তাঁর পরিবার। কিন্তু কোনও মহিলাকে এমন অভিযোগ আনতে কি কেউ শুনেছেন, যে তিনি এক এলিয়েনের দ্বারা ধর্ষিত হয়েছেন? পৃথিবীতে নয়, তাও আবার চাঁদের মাটিতে! শুনে অবাক হতে পারেন পারেন৷ অবাক হাসিও হাসতে পারেন৷

কিন্তু সত্যিই এমনটা দাবি করেছেন এক প্রাক্তন বিমান বাহিনীর কর্মী। নিয়ারা তেরেলা ইসলে। আমেরিকার প্রাক্তন সেনা কর্মী ইসলে বিশ্বের প্রথম মহিলা, যিনি অভিযোগ করেছেন, খানিকটা সরীসৃপ আকারের একটি ভিনগ্রহের প্রাণী তাঁকে একাধিকবার ধর্ষণ করেছে। তাও আবার চাঁদের মাটিতে! ২৫ বছর বয়সে নেভাদায় রেডার ট্র্যাকিং অফিসার হিসেবে কাজ করার সময় নাকি তাঁর সঙ্গে এই অভাবনীয় ঘটনাটি ঘটে।

ইসলের বর্ণনা অনুযায়ী, মানুষের মতো আকৃতি অথচ একটি লেজ রয়েছে। চোখ দু’টি হলুদ রঙের ৷ এমনই অদ্ভূত চেহারার প্রাণী তাঁকে চাঁদের এক প্রান্তে নিয়ে গিয়ে ইজ্জত লুট করে বলে অভিযোগ। তাঁকে মাদক জাতীয় কোনও দ্রব্য খাইয়ে দেওয়া হয়েছিল বলে ঘটনাটি এখন স্পষ্ট মনে পড়েছে না বলে দাবি ইসলের। সেই কারণে তিনি সম্মোহনের মাধ্যমে ঘটনাটি মনে করার চেষ্টা করেন। আর অভিযোগের পরই তোলপাড় বিশ্ব৷

8855554

দিনে ৭ বার মিলন না করে থাকতে পারেন না যে মহিলা (ভিডিও)

চিয়ার্স… টু ওয়েট লস! মদের গ্লাসে চুমুক দিয়ে ছিপছিপে হওয়ার স্বপ্ন!

আকাশকুসুম কল্পনা ভেবে উড়িয়েই দিতে পারেন অনেকে। কারণ মদ্যপানে মোটা হওয়ার কথাই বেশি শোনা যায়। কিন্তু আমেরিকার ওরেগন স্টেট ইউনিভার্সিটির ‘কলেজ অব এগ্রিকালচারাল স্টাডিজ’-এর দাবি, রেড ওয়াইন খেলে ওজন তো কমেই, সেই সঙ্গে নিয়ন্ত্রণে থাকে ব্লাড সুগারের পরিমাণও।

অতএব, মেদবহুল মধ্যপ্রদেশের দৌলতে যাঁরা দীর্ঘদিন দাঁড়ানো অবস্থায় নীচে তাকিয়ে নিজের প্রিয় লিঙ্গখানি দেখতে পাননি, কিংবা শপিং মল থেকে পাড়ার দোকান হন্যে হয়ে খুঁজেও পরনের জামাকাপড় জোগাড় করতে পারেননি, সেই সব ‘সুস্বাস্থ্যের’ অধিকারীদের জন্য সুখবর। মেদ ঝরাতে তাঁরা এ বার হাতে তুলেই নিতে পারেন রেড ওয়াইনের গ্লাস। ‘নিউট্রিশনাল বায়োকেমিস্ট্রি’ পত্রিকায় প্রকাশিত ওরেগন স্টেটস ইউনিভার্সিটির গবেষণাপত্রটিতে অন্তত এমনটাই দাবি করা হয়েছে।

কী ভাবে এ হেন দাবি করছেন বিজ্ঞানীরা? গবেষক দলটির অন্যতম নিল শে জানালেন, ইঁদুরের উপর পরীক্ষা করে দেখেছেন তাঁরা। টানা দশ সপ্তাহ ধরে তাঁরা এক দল ইঁদুরকে প্রচুর খাওয়ান। স্বাভাবিক ভাবেই, কিছু দিনের মধ্যে তারা হৃষ্টপুষ্ট হয়ে ওঠে। পরীক্ষা করে দেখা যায়, তাদের ফ্যাটি লিভার বেড়েছে। লাফিয়ে বেড়েছে ব্লাড সুগারের মাত্রাও। এই একই সময় বিজ্ঞানীরা ইঁদুরের অন্য একটি দলকে স্বাভাবিক আহার দিতে থাকেন। এ ভাবে দশ সপ্তাহ কাটার পর, মোটাসোটা ইঁদুরদের ‘মাস্কাডিন গ্রেপ’-এর (যে আঙুর থেকে রেড ওয়াইন তৈরি হয়) নির্যাস খাওয়ানো হয়। দেখা যায়, ওই ইঁদুরদের লিভার ফ্যাট ধীরে ধীরে কমে স্বাভাবিক খাদ্যাভাসে থাকা ইঁদুরদের সমতূল্য হয়ে গিয়েছে। একই কাণ্ড ঘটেছে ব্লাড সুগারের ক্ষেত্রেও। সেই মাত্রাও পৌঁছে গিয়েছে স্বাভাবিকের কাছাকাছি।

নিল বলেন, “ইঁদুরের মতো এই একই পরিণতি তো মানুষের ক্ষেত্রেও ঘটে। আঙুরের মতো সহজলভ্য একটা ফল থেকে যদি শরীরের ক্ষতিকারক ফ্যাটি লিভার কমানো যায়, তা হলে তার থেকে ভাল আর কী হতে পারে!” তবে একই সঙ্গে নিল জানিয়েছেন, যাঁরা মদ্যপান করেন না, তাদের নতুন করে হাতে ওয়াইন গ্লাস তুলে নিতে হবে না। একমুঠো আঙুর খেলেও একই ফল দেবে। আঙুরের রসেই যে রয়েছে মেদ ঝরানোর আসল চাবিকাঠি এল্যাজিক অ্যাসিড।

কী এই এল্যাজিক অ্যাসিড?

এটি আসলে একটি ফেনল অ্যান্টি-অক্সিড্যান্ট ও অ্যান্টি-ফ্যাটিঅ্যাসিড। আঙুর ছাড়াও আরও নানা ফল-সব্জিতে থাকে। শরীরে ফ্যাটের বাড়বৃদ্ধি কমিয়ে দিতে সাহায্য করে এল্যাজিক অ্যাসিড। সেই সঙ্গে নতুন করে ফ্যাট জমতে দেয় না। আসলে ফ্যাটি অ্যাসিড থেকে ফ্যাট তৈরি হয়। লিভারের ভিতরে ফ্যাটি অ্যাসিডের বিপাক প্রক্রিয়া বাড়িয়ে দেয় রাসায়নিকটি। তাই নতুন করে ফ্যাট তৈরি হয় না। লিভারের কাজ করার ক্ষমতাও বাড়ে। কমে ফ্যাটি লিভার সংক্রান্ত অসুখ।

তবে কি রেড ওয়াইনে চুমুক দিলেই রোগা হওয়া নিশ্চিত? গ্যাস্ট্রোএন্ট্রোলজিস্ট অভিজিৎ চৌধুরীর কথায়, “যাঁরা মদ্যপান করেন, তাঁরা অন্য কিছু না খেয়ে রেড ওয়াইন খেতে পারেন। কিন্তু তা বলে এটা কখনও ওষুধ হতে পারে না।”

একই দাবি কার্ডিওথোরাসিক সার্জন সত্যজিৎ বসুর। তাঁর কথায়, “রোগা হতে হলে শরীরচর্চা করুন। কিন্তু রেড ওয়াইন কেন? তার থেকে এক মুঠো আঙুর খান। সমান উপকার।” তা ছাড়া, আমেরিকায় মানুষ ওয়াইন খেতে অভ্যস্ত। তাঁরা সারা দিন প্রচুর পরিশ্রমও করেন। তাঁদের জন্য রেড ওয়াইন বিকল্প হিসেবে ভাল। বলছেন, এ দেশের চিকিৎসকরা।

ডায়াটেশনিস্ট রেশমী রায়চৌধুরী যেমন বলেন, “ওয়াইন শুনলেই লোকের চোখ চকচক করে ওঠে। কিন্তু অতিরিক্ত মাত্রায় মদ্যপান করলে বিপরীত ফলই হবে। একমাত্র নিয়ন্ত্রিত পরিমাণে রেড ওয়াইন খেলেই উপকার।” তিনি জানান, ৫ আউন্স বা ১৫০ এমএল (এক গ্লাসেরও কম) পর্যন্ত রেড ওয়াইন খাওয়া যেতে পারে। তাতে ১২৫ থেকে ১৫০ ক্যালোরি শরীরে ঢুকবে। সেটাও সপ্তাহে দুই-তিন দিনের বেশি নয়। সেই সঙ্গে যথেষ্ট শরীরচর্চাও প্রয়োজন। প্রতিদিন ঢকঢক করে রেড ওয়াইন খেলে বিপদ বাড়বে বই কমবে না।

রেশমীর কথায়, “শুধু এল্যাজিক অ্যাসিডই নয়, পিসিয়াটেনল নামেও একটি রাসায়নিক থাকে মাস্কাডিন গ্রেপ ও তার থেকে তৈরি রেড ওয়াইনে। পিসিয়াটেনল-ও এল্যাজিক অ্যাসিডের মতো একই কাজ করে। ফ্যাট জমতে দেয় না শরীরে।” আরও জানান, ওরেগন স্টেট ইউনিভার্সিটির আগেও বহু বার এই একই দাবি করেছেন ন্যাব্রাস্কা, ফ্লোরিডার মতো আমেরিকার বেশ কিছু বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকরা। কারণ সে দেশের দৈনন্দিন খাদ্যাভ্যাসে মদ রয়েইছে। “এ দেশের মানুষের রোগা হতে রেড ওয়াইন খেতে হবে না। তার থেকে ফল খাওয়া ভাল। উপকার শরীরচর্চাতেও।” বললেন রেশমী।

অর্থাৎ পান করতে যাঁরা অভ্যস্ত, তাঁদের জন্য নিয়ন্ত্রিত পরিমাণ রেড ওয়াইন ভাল। কিন্তু রোগা হওয়ার ওষুধ? নৈব নৈব চ!

4545

যৌন সঙ্গম ছেড়ে দিলে প্রায় ১৫০ বছর আয়ু লাভ সম্ভব! (ভিডিও)

অমরত্বের কামনা প্রতিটি জীবেরই। পৌরাণিক কাহিনীর দেব দেবীরা এই অমরত্বের জন্য কত কিছুই না করেছেন! পৃথিবী নামক গ্রহের একপ্রান্ত থেকে আরেক প্রান্তে ছুটে বেড়িয়েছেন। দিয়েছেন অমরত্বের জন্য প্রাণ বলিদান।

এ তো গেল দেব দেবীদের কথা। কিন্তু এই একুশ শতকের মানুষের জন্য ১৫০ বছর বাঁচা তো অমরত্বের মতোই। আর এজন্য তেমন কঠিন কিছুই করতে হবে না। সদ্য প্রকাশিত এক গ্রন্থে বলা হয়েছে, যৌন সঙ্গম ছেড়ে দিলে প্রায় ১৫০ বছর আয়ু লাভ সম্ভব!

যুক্তরাজ্যের থিঙ্ক ট্যাংক বায়োজেরন্টোলজি রিসার্চ ফাউন্ডেশনের পরিচালক আলেক্স ঝাভোরনকভ তার নতুন প্রকাশিত গ্রন্থ ‘এইজলেস জেনারেশন’ এ বলেন, মানুষের পক্ষে ১৫০ বছর বাঁচা সম্ভব যদি যৌন সঙ্গম ছাড়া যায়। এই গবেষক এবং লেখক তার গ্রন্থে আরো বলেন যে তিনি কালেভদ্রে যৌন সঙ্গন করেন এবং এটা প্রাত্যহিক কাজের মধ্যে সম্পৃক্ত করেননি।

এই তরুণ গবেষক ও লেখক ওই গ্রন্থে আরও লেখেন, বিবাহের মাধ্যমে মানুষ যৌন সঙ্গমকে অভ্যাসে পরিণত করে। এর ফলে প্রতিবার যৌন সঙ্গমের সঙ্গে সঙ্গে মানুষ তার কাঙ্ক্ষিত জীবনকাল থেকে একধাপ করে পিছিয়ে পড়ে। এভাবে যৌন সঙ্গমের হার যত বৃদ্ধি পাবে জীবনকাল তত খাটো হতে থাকবে।

33632

প্রতি ৫ জনের একজন নারী যৌবনের চেয়ে পৌঢ় চেহারাতেই খুশি (ভিডিও)


মেয়েদের বয়স আর ছেলেদের বেতন; জিজ্ঞসা করে সচারাচার সঠিক উত্তর পাওয়া যায় না।মাঝে মাঝে বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঠ চুকানো মেয়ের দাবি- তার বয়স ২০। তাই হয়তো অনেকে বলেন, মেয়েরা বয়স চুরি করতে পছন্দ করেন।

ডেইলি মেইলের ১টি প্রতিবেদন বলছে, গবেষণায় দেখা গেছে, আধুনিক নারী বিশ্বাস করেন তার প্রকৃত বয়সের থেকে তাকে ৫ বছর কম বয়সী দেখায়। বেশিরভাগ ব্রিটিশ নারী মনে করেন ৪৬ বছরের আগে তাদেরকে বয়স্ক দেখায় না। তবে ৫০ বছরের পর নারী তাদের চেহারা সম্পর্কে আর আত্মবিশ্বাসী থাকে না।

২০০০ নারীর মধ্যে পরিচালিত এ গবেষণায় দেখা গেছে, এক-তৃতীয়াংশ নারী মনে করেন, তার প্রকৃত বয়সের থেকে তাকে ৫ বছর কম বয়সী দেখায়।

প্রতি ১০ জনে ১ জন মনে করেন, তাদেরকে তাদের প্রকৃত বয়স থেকে ১০ বছর কম দেখায়।

প্রসাধনী ব্র্যান্ড ল্যানকমের এই গবেষণায় উঠে এসেছে প্রায় ১০ শতাংশ নারী ২০ বছরে বয়সেই তাদের বয়স বাড়া নিয়ে উদ্বিগ্ন হতে শুরু করেন।

প্রায় ৪০ শতাংশ নারী বলেছেন, ৩০ বছরের পর থেকে তারা তাদের বয়স বাড়া নিয়ে ভাবতে থাকেন। এবং ৪৬ বছরের পর এই ভাবনা ভীতিজনক অবস্থায় পৌঁছায়।

প্রতি ৫ জনের একজন নারী বলেছেন, ৫০ থেকে ৬০ বছরের মধ্যে রয়স বাড়ার বিষয়টি তারা ভাবতে শুরু করেন। তারা তাদের যৌবনের চেয়ে পৌঢ় চেহারাতেই খুশি।

গরেষণায় অংশগ্রহণকারীরা জানিয়েছেন, যৌবন ও সৌন্দর্য থরে রাখতে দরকার সুখী দাম্পত্য জীবন। এছাড়া রোদে ত্বক পোড়া থেকে নিজেকে রক্ষা করা, ভালো মানের ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করা, সঠিক মাত্রায় ভালো মানের অ্যালকোহল গ্রহণ এবং প্রতিদিন কমপক্ষে ৫ টুকরা ফল গ্রহণ করাও জরুরি।

তারা বলেন, বয়স কমানোর জন্য নিয়মিত চুলের পরিচর্যা করা, প্রাত্যহিক ব্যায়াম ,ধর্মীয় অনুশাসন পালন, চোখের যত্ন নেওয়া এবং ধূমপান বর্জন খুবই জরুরি।

সপ্তাহান্তে একদিন তরুণদের সাথে বসে ওয়াইন পানও বয়স কমিয়ে দেয় বলে তারা মনে করেন।

গবেষণায় দেখা গেছে, ইতালি ও ফরাসি নারীরা মনে করেন তাদের মধ্যে তারুণ্যের দ্যুতি বেশি।

রাশিয়া, জার্মানি ও আয়ারল্যান্ডের নারীরা প্রসাধনীর পেছনে সবচেয়ে কম ব্যয় করেন। ওইসব দেশের ৫০ শতাংশ নারী প্রসাধনীর পেছনে বছরে মাত্র ৬০ মার্কিন ডলার ব্যয় করেন। ৩৮ শতাংশ নারী খরচ করেন ৬০-১৫০ ডলারের মধ্যে। ১২ শতাংশ নারীর এ বাবদ ব্যয় ১৫০-২৫০ ডলার। আর মাত্র ৩ শতাংশ নারীর এ বাবদ ব্যয় ২৫০ ডলারের বেশি।

5565455