এক সময়ে সরকারের তরফ থেকে, টেলিভিশনের টকশো কিংবা স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে শুরু করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কর্মকর্তারা বলতেন, ধৃত জঙ্গিরা আইএস নেটওয়ার্কের সঙ্গে যোগাযোগ করছিল। এখন অবশ্য বেশকিছুদিন ধরে বলা হচ্ছে দেশে আইএস জঙ্গি নেই। যা আছে তা দেশীয় সন্ত্রাসী। পত্রপত্রিকায় এ নিয়ে বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন বক্তব্য এসেছে। তার কয়েকটি পাঠকদের জন্যে পরিবেশন করা হল।

সেপ্টেম্বর ১৮,২০১৪
আবদুল্লাহ আর তাসনিম,নায়েম আলী,সিকান্দার আলী,মাহমুদ ইবনে বসর,মাসুম বিল্লাহ,ফুয়াদ হাসান এবং আলী আহমদকে আইএস’এর সাথে ‘যোগাযোগ’ প্রতিষ্ঠার অভিযোগে গ্রেফতার করা হয়।

সেপ্টেম্বর ২৪,২০১৪
সাবেক বিচারপতির ছেলে আসিফ আদনান শুভ, উর্ধতন আমলার ছেলে ফজলে এলাহি তানজিলকে গ্রেফতার করা হয় আহসানউল্লাহ বাংলা টিমের সদস্য হওয়ার জন্য। তারা আইএস জঙ্গির হয়ে লোক সংগ্রহ করছিল।

সেপ্টেম্বর ২৯,২০১৪
বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত বৃটিশ নাগরিক সাইমুন রহমান ওরফে ইবনে হামদাদকে ঢাকায় গ্রেফতার করা হয়। তার বিরুদ্ধে বাংলাদেশিদের আইএসএসে নিয়োগ প্রদানের অভিযোগ আনা হয়। সিরিয়ার বাসার আল আসাদের বিরুদ্ধে সেপ্টেম্বরে দেশটিতে তিনি বিক্ষোভ করেন।

জানুয়ারি ১৮,২০১৫
গোয়েন্দারা আইএস’এর সমন্বয়ক শাখাওয়াতুল কবির এবং আইএসে তার নিয়োগকৃত নজরুল, বাতেন এবং রবিউলকে ঢাকা থেকে গ্রেফতার করে। তারা এর আগে জেএমবির সাথে যুক্ত ছিলেন এবং কবির ছিলেন তাদের আঞ্চলিক নেতা।

মে ৩১,২০১৫
নতুন জঙ্গি সংগঠন জুনুদ আল তৌহিদ ওয়াল খালিফার প্রধান আবদুল্লাহ গালিবকে গ্রেফতার করা হয়। তার বাবা সাবেক পদস্থ সামরিক কর্মকর্তা। পুলিশ তাকে আইএস সদস্য এবং নিয়োগকর্তা হিসেবে অভিহিত করে। তিনি হিজবুত তাহরীরের সাবেক সদস্য এবং আনসারুল্লাহর সাবেক সহকারি সমন্বয়কারি।

মে ২৬,২০১৫
গোয়েন্দারা আইএস’এর নিয়োগকর্তা আমিনুল বেগ এবং তার সহযোগি শাকিব বিন কামাল বেগকে (কোকা কোলার আইটি বিভাগের প্রধান) গ্রেফতার করে। তারা ইংলিশ মিডিয়াম স্কুলের শিক্ষকসহ ২০ জনকে আইএস’এর হয়ে সিরিয়া ও ইরাকে লড়াইয়ের জন্যে নিয়োগ দেয়। বেগ এর আগে জেএমবির শীর্ষ নেতা ছিলেন।

জুন ৭,২০১৫
নৌবাহিনীর সাবেক কমান্ডার মো: সাকেরের ছেলে ফিদা মুনতাসিরকে আইএসের নিয়োগকর্তা হিসেবে গ্রেফতার করা হয়।

জুন ১২,২০১৫
অবসরপ্রাপ্ত লে, কর্ণেল ফরিদ হায়দার খানের ছেলে ফাইয়াজকে আইএস সদস্য হিসেবে গ্রেফতার করা হয়।

ঢাকা ট্রিবিউন থেকে অনুবাদ

is-bd