সৌদিতে একের পর এক নির্যাতনের শিকার হচ্ছে নারী শ্রমিকরা যাদের বেশিরভাগই বাংলাদেশি।এসব ঘটনা নতুন না হলেও সরকারিভাবে নারী শ্রমিক পাঠাচ্ছে অনেক দেশ। বিশেষ করে গৃহকর্মীরা দৈনিক ও যৌন নির্যাতনের শিকার হন বেশি।

এতোকিছুর পরও সম্প্রতি নারী শ্রমিক নিতে বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে নতুন করে চুক্তি করেছে সৌদি আরব। এ চুক্তির কথা উল্লেখ করে সৌদি শ্রমমন্ত্রী আদেল ফাকিহ রিয়াদে একটি সেমিনারে বলেছিলেন, নারী শ্রমিক নেয়ার পর সৌদি আরব বাংলাদেশ থেকে দক্ষ পুরুষ শ্রমিকও নিবে। যদিও এখনও কোনো উদ্যোগ চোখে পড়েনি।

সবকিছু মিলিয়ে ২০১৫ সালে বেশ কিছু নারী শ্রমিক সৌদি আরব গেছে। তাদের মধ্যে অনেকেই নির্যাতনের শিকার হয়েছেন বা হচ্ছেন। কয়েকদিন আগে রুমা আক্তার নামে এক তরুণীকে নির্যাতনের কথা তুলে ধরা হয়েছিল বাংলামেইলে। সেই খবর প্রকাশের তোলপাড় শুরু হয়। এক পর্যায়ে রুমা আক্তারকে ফিরিয়ে নেয় এজেন্সি, যে এজেন্সির মাধ্যমে রুমা আক্তার সৌদিতে যান।

শুধু রুমা আক্তার নয়, অনেক নারী কর্মীই সৌদিতে নির্যাতনের শিকার হচ্ছেন। সম্প্রতি একটি সূত্রে জানা গেছে, রিয়াদে একটি কোম্পানির কক্ষে বাংলাদেশি ২০ থেকে ২৫ জন নারী শ্রমিক আটকা রয়েছেন যারা সবাই এ বছরের মধ্যে সাউদিতে গেছেন। তাদের মধ্যে অনেককে বিভিন্ন বাসাবাড়িতে কাজ দেয়া হয়। এরা নির্যাতনের শিকার হয়েছেন।

সেই নির্যাতনের বর্ণনা দিয়েছেন বাংলামেইলের সৌদি প্রতিনিধির কাছে। বলতে গিয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েছেন অনেকে, মানসিকভাবে তারা এখন অনেকটা বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছেন। এখন নির্যাতনের ভয়ে তারা আর কোথাও কাজ নিতে রাজি হচ্ছেন না। বলছেন, ‘আর কাজ করবো না, বিদেশ করবো না। সরকারের কাছে একটাই মিনতি। আমাদের যেন দেশে ফেরানোর ব্যবস্থা করা হয়। বিদেশের নাম আর মুখে আনবেন না তারা।’ সূত্র: বাংলামেইল

63453